''আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ
আমরা গেঁথেছি শেফালিমালা
নতুন ধানের মঞ্জরি দিয়ে
সাজিয়ে এনেছি বরণডালা।''
-------------প্রিয় পাঠক,
বাংলার ল্যান্ডস্কেপ ফ্রেমের ভিতর ধীরে ধীরে অদৃশ্য এক শৈল্পিক হাতের পরশে ফুটে উঠছে একটি নির্মল সুনীল আকাশ, ধূসর শুভ্র কাশফুলের সমারোহ, ঘাসের উপর ছড়ানো শিউলির আল্পনা, রৌদ্রোজ্জ্বল স্নাত পৃথিবী, ভোরের বাতাসে হিমেল পরশ আর পাতার ডগায় দোদুল দুল হীরককুচি - সব মিলে ধীরে ধীরে মূর্ত হচ্ছে নস্টালজিক বাঙালি প্রাণের চিরচেনা অথচ চিরনতুন এক অদ্ভুদ চিত্র, যেখানে সহস্রাব্দ অতিক্রমণ শেষেও লেগে থাকে সেই একই মোহ, একই মুগ্ধতা, একই আবেশ, একই উল্লাস, একই উন্মাদনা।বাংলা মায়ের শ্যামল অঞ্চল জুড়ে তখন শুধু একটাই সুর ''আহারে কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। ''
এই আনন্দোজ্জ্বল আবহেই মা মহামায়ার আগমন বার্তায় দিগ্বিদিক অনুরণিত হয় - মধ্যবিত্ত আপামর বাঙালী মন তাদের মধ্যবিত্ত আবেগে আর কল্পনায় আপ্লুত তখন - বছর ঘুরে মর্ত্যে আসবেন মা উমা পতিগৃহ থেকে।বাড়ি থেকে বারোয়ারি উৎসব মুখরতার উত্তাল ঢেউ, আপামর বাঙালী আনন্দে মাতোয়ারা ।যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তখন 'সাজো সাজো' রব চারিদিকে। স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসছেন যে দশভূজা দুর্গতিনাশিনী দেবী , তার আগমনের ক্ষণগননা , আবাহন ও বিসর্জন - এই ক্রমান্বয় ধারার মধ্য দিয়েই যথাযথ ভাব-গাম্ভীর্যে ও উৎসাহ উদ্দীপনায় পালিত বাঙালীর চিরকালীন দুর্গাপূজা।
অর্থাৎ শরতের আগমনে বিশ্ব-চরাচরে যে মধুর আনন্দের সাড়া পড়ে যায়, সে আনন্দের সামগ্রিক অভিব্যক্তি আমাদের নানা উৎসব ও আনন্দানুষ্ঠানে।শরৎ বর্ষার মাধুর্যকে বয়ে আনলেও তার ধ্বংসময়ী রূপকে বহন করেনা।প্রশান্তি ও মাধুর্যের রূপে সে প্রকৃতির অঙ্গনে এক নব চেতনার সঞ্চার - গ্রামবাংলার হৃদয়ে বুনে দিয়ে যায় আগামী হেমন্তে ক্ষেতভরা উজ্জ্বল সোনালীধানের সম্ভাবনার বাণী। কৃষিমাতৃক বাংলা এক সম্ভাবনার স্বপ্নকে লালন করে, যে স্বপ্নের বীজ বুনে দিয়ে যায় শরৎ। তাই বাঙালীর প্রাণে, তার আবেগে শরৎ শুধু শরৎঋতু নয়, সে শারদলক্ষ্মী।
আসুন প্রিয় পাঠক, সকল সমারোহ, আনন্দ উৎসবের উৎসমুখ যে শরৎ তার সমাগমকে আমরা ''মৃত্তিকা '' পরিবারও সানন্দে বরণ করে নেই।আজ কুমোরটুলির মাটির গন্ধে আবার ফিরে এসেছে আগমনী বহু প্রত্যাশার বিপুল সম্ভার সাজিয়ে। আমাদের 'মৃত্তিকা' পরিবারের তৃতীয় web-mag ''শিউলিবেলা'' বাঙালীর এই অন্তর্জীবন ও বহির্জীবনকে রঙ-তুলি, কলমে ও ক্যামেরায় যথাসম্ভব উপস্থাপনের এক সার্বিক প্রয়াস - যেখানে আপনারা পাবেন বাঙলার শারদীয়ার স্বাদ-গন্ধ-বর্ণ আস্বাদনের মনোগ্রাহী আয়োজন।আসুন পাঠক, সাদর আমন্ত্রণ রইল আপনার জন্য - খুঁজে দেখুন, সাধারণ জনজীবনের প্রাত্যহিকতার টুকরো ছবির আড়ালে কোথায় বাঙালী তার শারদলক্ষ্মীকে নিয়ে স্বকীয় স্বাতন্ত্র্যে ভরপুর -------
-------------------------------------ধন্যবাদান্তে, মৌলি বণিক (সম্পাদিকা)।
আমরা গেঁথেছি শেফালিমালা
নতুন ধানের মঞ্জরি দিয়ে
সাজিয়ে এনেছি বরণডালা।''
-------------প্রিয় পাঠক,
বাংলার ল্যান্ডস্কেপ ফ্রেমের ভিতর ধীরে ধীরে অদৃশ্য এক শৈল্পিক হাতের পরশে ফুটে উঠছে একটি নির্মল সুনীল আকাশ, ধূসর শুভ্র কাশফুলের সমারোহ, ঘাসের উপর ছড়ানো শিউলির আল্পনা, রৌদ্রোজ্জ্বল স্নাত পৃথিবী, ভোরের বাতাসে হিমেল পরশ আর পাতার ডগায় দোদুল দুল হীরককুচি - সব মিলে ধীরে ধীরে মূর্ত হচ্ছে নস্টালজিক বাঙালি প্রাণের চিরচেনা অথচ চিরনতুন এক অদ্ভুদ চিত্র, যেখানে সহস্রাব্দ অতিক্রমণ শেষেও লেগে থাকে সেই একই মোহ, একই মুগ্ধতা, একই আবেশ, একই উল্লাস, একই উন্মাদনা।বাংলা মায়ের শ্যামল অঞ্চল জুড়ে তখন শুধু একটাই সুর ''আহারে কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। ''
এই আনন্দোজ্জ্বল আবহেই মা মহামায়ার আগমন বার্তায় দিগ্বিদিক অনুরণিত হয় - মধ্যবিত্ত আপামর বাঙালী মন তাদের মধ্যবিত্ত আবেগে আর কল্পনায় আপ্লুত তখন - বছর ঘুরে মর্ত্যে আসবেন মা উমা পতিগৃহ থেকে।বাড়ি থেকে বারোয়ারি উৎসব মুখরতার উত্তাল ঢেউ, আপামর বাঙালী আনন্দে মাতোয়ারা ।যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তখন 'সাজো সাজো' রব চারিদিকে। স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসছেন যে দশভূজা দুর্গতিনাশিনী দেবী , তার আগমনের ক্ষণগননা , আবাহন ও বিসর্জন - এই ক্রমান্বয় ধারার মধ্য দিয়েই যথাযথ ভাব-গাম্ভীর্যে ও উৎসাহ উদ্দীপনায় পালিত বাঙালীর চিরকালীন দুর্গাপূজা।
অর্থাৎ শরতের আগমনে বিশ্ব-চরাচরে যে মধুর আনন্দের সাড়া পড়ে যায়, সে আনন্দের সামগ্রিক অভিব্যক্তি আমাদের নানা উৎসব ও আনন্দানুষ্ঠানে।শরৎ বর্ষার মাধুর্যকে বয়ে আনলেও তার ধ্বংসময়ী রূপকে বহন করেনা।প্রশান্তি ও মাধুর্যের রূপে সে প্রকৃতির অঙ্গনে এক নব চেতনার সঞ্চার - গ্রামবাংলার হৃদয়ে বুনে দিয়ে যায় আগামী হেমন্তে ক্ষেতভরা উজ্জ্বল সোনালীধানের সম্ভাবনার বাণী। কৃষিমাতৃক বাংলা এক সম্ভাবনার স্বপ্নকে লালন করে, যে স্বপ্নের বীজ বুনে দিয়ে যায় শরৎ। তাই বাঙালীর প্রাণে, তার আবেগে শরৎ শুধু শরৎঋতু নয়, সে শারদলক্ষ্মী।
আসুন প্রিয় পাঠক, সকল সমারোহ, আনন্দ উৎসবের উৎসমুখ যে শরৎ তার সমাগমকে আমরা ''মৃত্তিকা '' পরিবারও সানন্দে বরণ করে নেই।আজ কুমোরটুলির মাটির গন্ধে আবার ফিরে এসেছে আগমনী বহু প্রত্যাশার বিপুল সম্ভার সাজিয়ে। আমাদের 'মৃত্তিকা' পরিবারের তৃতীয় web-mag ''শিউলিবেলা'' বাঙালীর এই অন্তর্জীবন ও বহির্জীবনকে রঙ-তুলি, কলমে ও ক্যামেরায় যথাসম্ভব উপস্থাপনের এক সার্বিক প্রয়াস - যেখানে আপনারা পাবেন বাঙলার শারদীয়ার স্বাদ-গন্ধ-বর্ণ আস্বাদনের মনোগ্রাহী আয়োজন।আসুন পাঠক, সাদর আমন্ত্রণ রইল আপনার জন্য - খুঁজে দেখুন, সাধারণ জনজীবনের প্রাত্যহিকতার টুকরো ছবির আড়ালে কোথায় বাঙালী তার শারদলক্ষ্মীকে নিয়ে স্বকীয় স্বাতন্ত্র্যে ভরপুর -------
-------------------------------------ধন্যবাদান্তে, মৌলি বণিক (সম্পাদিকা)।
Comments
Post a Comment