ভোরবেলা ঘুম ভাঙতেই মাহিয়ার নাকে ভেসে আসে মিষ্টি একটা গন্ধ। গত তিনদিন টানা বৃষ্টির পর কাল রাত্রে বৃষ্টি থেমেছে। জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখে মেঘ একদম পরিষ্কার। ব্যালকনিতে যেতেই চোখে পড়ে শিউলি গাছের তলায় কি যেন চাদর বিছিয়ে গেছে। এক ছুটে চলে গেল শিউলি গাছের কাছে। চোখ বন্ধ করে ঘ্রাণ নিল শিউলি ফুলের। এই শরতের প্রথম শিউলি ফুটেছে ওর হাতের লাগানো গাছটায়। গাছটাকে ও নিজের ছেলের মতো আগলে রেখেছে। শুয়োপোকা হতো বলে কতবার যে গাছটা কেটে ফেলার কথা বলা হয়েছে তাও ঠিক মনে নেই। তিনদিন পর রোদ উঠেছে, ঘাসের ডগা গুলো চকচক করছে। ওগুলো বৃষ্টির ফোঁটা নাকি শিশিরকণা মাহিয়া ঠিক জানে না। ঠিক যেমনভাবে আজও মাহিয়া জানেনা এমনই এক শরতের সকালে তার মা-বাবা কোথায় হারিয়ে গেছে। সে আজ প্রায় 12 বছর আগের কথা, ঘুম ভেঙে মাকে দেখতে না পেয়ে সারা বাড়ি মাথায় তুলেছিলো মাহিয়া খুঁজতে বেরোল তার বাবা। একটু বেলার দিকে মাহিয়ার বাবা ফিরল সাদা চাদর মুড়ি দিয়ে কিন্তু আর কোনদিনও ফিরল না মাহিয়ার মা। মাহিয়ার চোখে করা দুটো চকচক করে ওঠে ঘাসের দলগুলোর মতোই ! এমন সময় মাহিয়ার আঁচলে টান পড়ে -
" মা, মা তুমি এখানে কি করছ?"
মাহিয়া চোখের জল লুকাতে জড়িয়ে ধরে তার মেয়েকে। আড়ালে চোখটা মুছে বলে, " মাম্মাম তুমি কি এই ফুলগুলো চেনো?"
" হ্যাঁ, এগুলো তার শিউলি ফুল শরৎ কালে ফোটে মা দুর্গার পূজা হয় এই ফুলে।"
আমার পাকা বুড়িটা সব জানে।
" চলো না মা আমরাও পুজো করি ! "
চলো!
মা- মেয়েতে দু মুঠো শিউলি ফুল কুড়িয়ে চললো "মায়ের পুজো" করতে।
মা তো সবার।
" মা, মা তুমি এখানে কি করছ?"
মাহিয়া চোখের জল লুকাতে জড়িয়ে ধরে তার মেয়েকে। আড়ালে চোখটা মুছে বলে, " মাম্মাম তুমি কি এই ফুলগুলো চেনো?"
" হ্যাঁ, এগুলো তার শিউলি ফুল শরৎ কালে ফোটে মা দুর্গার পূজা হয় এই ফুলে।"
আমার পাকা বুড়িটা সব জানে।
" চলো না মা আমরাও পুজো করি ! "
চলো!
মা- মেয়েতে দু মুঠো শিউলি ফুল কুড়িয়ে চললো "মায়ের পুজো" করতে।
মা তো সবার।
Comments
Post a Comment