Skip to main content

Front page | Shiulibela Magazine | 2019 Pujo Sankhya

Designed by - Vivek Bir
সকলের আশীর্বাদ এবং ভালোবাসা নিয়ে প্রকাশিত হলো মৃত্তিকা পরিবারের তৃতীয় ওয়েব ম্যাগাজিন " শিউলি বেলা " । সম্পূর্ণ ম্যাগাজিন টি পড়তে বা দেখতে ক্লিক করুন হোম সুইচ টি তে । এবং যে পেজ টি পড়বেন/ দেখবেন ক্লিক করুন রিড মোর বাটন টি তে । ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন বন্ধুদের সাথে
* বি.দ্র : এই ম্যাগাজিন এর প্রত্যেকটি পোস্ট এর কপিরাইট লেখক/ফোটোগ্রাফার/চিত্রশিল্পী দের নামে এবং মৃত্তিকা পরিবারে ২০১৯ কপিরাইট আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত । বিনা অনুমতিতে কোনো লেখা/অঙ্কন বা ফোটোগ্রাফি ব্যবহার নিষিদ্ধ ।
         ধন্যবাদান্তে - মৃত্তিকা পরিবার ।

Comments

  1. শিউলি বেলা- র ঘ্রাণ
    ভরালো যে মন প্রাণ।

    সুখপাঠ্য এক পত্রিকা।

    ReplyDelete

Post a Comment

Popular posts from this blog

Drawing , page 1

Sunita Mukherjee , from Kalpography Photography and Drawing Dept. of Mrittikaparibar Madhumonti Paul , from Kalpography Phtotography and Drawing Department of Mrittikaparibar Drawing - Ruhul Amin , From Kalpography Photography and Drawing Dept. of Mrittikaparibar Drawing - Adarsha Mondal , from Kalpography Photography and Drawing Dept. of Mrittikaparibar Drawing - Tanmay Sinha , From Kalpography , Photograpy and Drawing Dept. of Mrittikaparibar drawing - Ankita Maji, from - Kalpography ( Photography and Drawing Dept. of Mrittikaparibar )

বিসর্জন - আশিষ মেটে

ক্ষত বিক্ষত পাহাড় মাকড়সা জালে ঢাকা, রক্তস্রোত নদী, মৃত অরণ্যের চিত্র লেখা । শরৎ মেঘে নকশা ছবি, ভাসে ছোট্ট মেয়ের মুখ; বারুদে গন্ধে দম বন্ধ, ফেটে যাচ্ছে বুক; জ্বলন্ত শরীরের চলন্ত গুলির আওয়াজ, থমকে দাঁড়ায় কান্না তাঁর থামে না; ক্ষমা করিস মা, নিয়ে যেতে পারলাম না তোর পূজার সাজ- ছোট্ট মেয়েটি বার বার জিজ্ঞাসা, বাবা কবে আসবে মা? পুষ্পাঞ্জলি শেষ, চোখের জলে দুর্গামা; দিনের প্রতিটা মুহূর্তে আতঙ্ক; যোগ মেলে না জীবনের শেষ পৃষ্ঠার অঙ্ক । বিসর্জন বেদনার গান হৃদয়ের বাজে; ভারতমাতার দীপ  জ্বালিয়ে ঘরে ফিরলো তেরঙা সাজে।।

এসো চিন্ময়ী মা - মৌলী বণিক

অশ্রুরঙের ছবি দেখি কেন মা দুর্গা তোর চোখে? সব রঙ হারিয়ে তুই ডুবেছিস কি হতাশ শোকে? সভ্য পৃথিবী কক্ষগতি বদলে ছুটছে আদিম অন্ধকারে- স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র ধর্ষিত গুহামানবের হিংস্র হুহুঙ্কারে। ধিকিধিকি রোষানলে জ্বলছে দেখি পাপভারে ন্যুব্জ ধরা, তবু ধম্মনেতাদের রক্তচক্ষু ভয়ে ধম্মজুজুরা আধমরা। নারীর শালীনতা ঘোমটা বোরখা কিছুই আজ রক্ষিত নয়; মহিষাসুররা রক্তবীজের বংশ- ধর্ষণ, হত্যায় লেখে পরিচয়। অনাচার ভ্রষ্টাচারের ধারা বিবরণী জমে ধূসর হয় পান্ডুলিপি অসহায় হতাশায় দলাদলি মারামারি- নাম দেই বিধিলিপি। কাদা ছোঁড়াছুড়ি, মিথ্যের চমক জাদুগরী, কথার ফুলঝুরি তাতে আর কিছু না হলেও হয় নেতার বৈভব ও রাজপুরী। ভক্তের মুখোশ পরা এসেছে যারা মৃন্ময়ী রূপে প্রণাম করে, রাতের আঁধার ঘরে সেই চিন্ময়ীরূপকে ক্রূশবিদ্ধ করে । দূর্গতিনাশিনী তোর বিলাসী দশভুজা সংহারী রূপ চাইনা মাগো, মন্দির বাইরে এই সমাজে দ্বিভুজা চিন্ময়ী রূপে মা তুমি জাগো।